সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পরিবর্তন করা হয়?

Updated: 4 months ago
  • চতুর্থ

  • পঞ্চম

  • সপ্তম

  • অষ্টম

3.8k
উত্তরঃ

চতুর্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়। সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন                              পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন এই সংশোধনীর মূল কথা। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর সংশোধনীর বিষয়টি উত্থাপন                                  করেন। বিলটি ২৯৪-০ ভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের সময় সরকারি দলের সদস্য এমএজি ওসমানী ও ব্যারিস্টার মঈনুল ইসলাম সংসদ বর্জন করেন। বিলটি                                  পাস হওয়ার দিন ২৫ জানুয়ারিই তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

পঞ্চম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের                                        যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দানসহ সংবিধানে এর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করা হয়। সংসদ নেতা শাহ আজিজুর রহমান ‍উত্থাপিত                                  বিলটি ২৪১-০ ভোটে পাস হয়। পরে এ সংশোধনীটি অবশ্য উচ্চ আদালতের রায়ে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অবৈধ ঘোষিত হয়ে যায়।

সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে সামরিক শাসন বহাল ছিল। ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদে সপ্তম সংশোধনীর                                  মাধ্যমে এরশাদের ওই সামরিক শাসনের বৈধতা দেওয়া হয়। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন                                   সময়ে প্রণীত সব ফরমান, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের আদেশ, নির্দেশ ও অধ্যাদেশসহ অন্যান্য  আইন অনুমোদন দেওয়া হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।                                  আইনমন্ত্রী বিচারপতি কে এম নুরুল ইসলাম উত্থাপিত সংবিধান সংশোধনী বিলটি ২২৩-০ ভোটে পাস হয়। ১০ নভেম্বরই এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।                                        পঞ্চম সংশোধনীর মতো ২০১০ সালের ২৬ আগস্ট এ সংশোধনীকে আদালত অবৈধ ঘোষণা করে।

অষ্টম সংশোধনী: ১৯৮৮ সালের ৭ জুন সংবিধানে অষ্টম সংশোধনী আনা হয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদে (২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০) পরিবর্তন আনা হয়।                                রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান করা ও ঢাকার বাইরে ৬টি জেলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন করার বিধান চালু করা হয়। Dacca-এর নাম Dhaka এবং                              Bangali-এর নাম Bangladeshi-তে পরিবর্তন করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। সংসদ নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ উত্থাপিত এ বিলটি ২৫৪-০ ভোটে পাস                             হয়। এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায় দু’দিন পর অর্থাৎ ৯ জুন। তবে পরবর্তীকালে ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠনের বিষয়টি বাতিল করে দেন সর্বোচ্চ                                      আদালত।

 

ROJONI KANTO ROY
ROJONI KANTO ROY
2 years ago

সংশোধনী

বিষয়

প্রথম সংশোধনী- ১৯৭৩

যুদ্ধবন্দী এবং অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করণ।

দ্বিতীয় সংশোধনী- ১৯৭৩

অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক গোলযোগে জরুরী অবস্থা ঘোষণার বিধান।

তৃতীয় সংশোধনী— ১৯৭৪

সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ভারতকে বেরুবাড়ী হস্তান্তর।

চতুর্থ সংশোধনী- ১৯৭৫

  • সংসদীয় সরকারের পরিবর্তে একদলীয় সরকার ব্যবস্থা চালু।
  • বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন ।

পঞ্চম সংশোধনী- ১৯৭৯

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের সকল কাজের বৈধতা দান প্রসঙ্গে ।

ষষ্ঠ সংশোধনী- ১৯৮১

উপ-রাষ্ট্রপতির পদ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করণ।

সপ্তম সংশোধনী- ১৯৮৬

১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত সামরিক সরকারের সকল আদেশের বৈধতা অনুমোদন প্রসঙ্গে ।

অষ্টম সংশোধনী- ১৯৮৮

  • রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতি।
  • ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন ।

নবম সংশোধনী- ১৯৮৯

  • প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করণ।
  • নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ সৃষ্টি।
  • প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

দশম সংশোধনী- ১৯৯০

সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১০ টি আসনের মেয়াদ আরো ১০ বছরের জন্য বৃদ্ধিকরণ ।

একাদশ সংশোধনী- ১৯৯১

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ এর স্বপদে ফিরে যাওয়ার বিধান সম্বলিত।

দ্বাদশ সংশোধনী- ১৯৯১

রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পুনঃপ্রবর্তন।

ত্রয়োদশ সংশোধনী- ১৯৯৬

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুকরণ।

চতুর্দশ সংশোধনী ২০০৪

সংসদে নারীদের জন্য ৪৫ টি সংরক্ষিত আসন বৃদ্ধি।

প্রধান বিচারপতির অবসর বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে উন্নিত।

পঞ্চদশ সংশোধনী- ২০১১

  • ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূলনীতিতে প্রত্যাবর্তন ।
  • তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তকরণ ।
  • সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ টি থেকে ৫০ এ বৃদ্ধিকরণ।
  • জাতির পিতার স্বীকৃতি ও প্রকৃতি সংরক্ষণে বাধ্যবাধকতা
  • জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র তফসিলে যুক্তকরণ।

ষোড়শ সংশোধনী- ২০১৪

  • বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে প্রদান প্রসঙ্গে।

নোট: ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সপ্তদশ সংশোধনী-২০১৮

জাতীয় সংসদের ৫০টি নারী সংরক্ষিত আসন আরো ২৫ বছরের জন্য বহাল রাখা প্রসঙ্গে।

Related Question

View All
Updated: 5 days ago
  • Caretaker government system
  • Secularism as a state principle
  • Military in politics
  • Pakistan-style federalism
134
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই